Tuesday, 1 September 2015

CONTENTS to be assamese in - http://sis-assam-dalil.blogspot.in/

 CONTENTS to be assamese in -  

------------------------------------------------------------------------------------------------------
 [1]-The concept of ibaadah (or worship) is misunderstood.
 [2]-হাদীছ কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?



++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
 [1]-The concept of ibaadah (or worship) is misunderstood.
[[Abu Waleed UK 
fb-https://www.facebook.com/AbuWaleed2015?fref=nf]]
The concept of ibaadah (or worship) is misunderstood.
Whenever the Ummah were asked to “worship Allah”, they (as with the word Deen) understood the word ibaadah in a limited sense to mean some ritual acts here and there. The Sufi’ movement and Sufism in general, have this understanding where they confine the word ibaadah to ritual acts and activities alone.
After the Sufi’s, there are the people of Irja (i.e. those who make separation between beliefs and actions of a human being), who claim that the Eemaan is only in the heart (qalb). And therefore all the ibaadah is only in the heart, actions are of no consequence to ones Eemaan.
These people confine the concept of ibaadah to be the function of the heart alone. Whereas the correct definition of Eemaan according to the ijmaa of the Salaf of this Ummah and it’s A’immah such as Sheikh ul-Islam ibn Taymiyyah (rh), was that: Eemaan is a saying of the tongue, an action by the limbs and a strong belief in the heart.
This comprehensive definition of Eemaan moulds a person’s inner-self with his outer-self (at-Talaazum).
Likewise, the true meaning of ibaadah is comprehensive, and covers all aspects of life, from our actions and transactions.
Allah (swt) said: “I did not create the man and the jinn except for the purpose to submit , to follow, to obey, to worship, none but me (illah li-abidoon)” [51:56]
+++++++++++++++++++++

[2]-হাদীছ কাকে বলে? কত প্রকার ও কি কি?
1.প্রশ্নঃ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ নবী (সাঃ)এর কথা, কাজ ও সমর্থনকে হাদীছবলে।
2. প্রশ্নঃ হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ হাদীছ দুপ্রকারঃ মাকবূল (গ্রহণযোগ্য)হাদীছ ও (মারদূদ) অগ্রহণযোগ্য হাদীছ।
3. প্রশ্নঃ মাকবূল হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ মাকবূল হাদীছ দুপ্রকারঃ ছহীহ ও হাসান।
4. প্রশ্নঃ মারদূদ বা অগ্রহণযোগ্য হাদীছ কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ দুপ্রকারঃ যঈফ (দুর্বল) ও জাল (বানোয়াট)।
5. প্রশ্নঃ সহীহ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন, উহার সনদ পরস্পর সম্পৃক্ত, তার মধ্যেগোপন কোন ত্রুটি নেই এবং উহা শাযও (তথা অন্য কোন অধিকতর নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীর বর্ণনার বিরোধী) নয় তাকে সহীহ হাদীছ বলে।
6. প্রশ্নঃ প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৬টি। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ।
7. প্রশ্নঃ সিহাহ সিত্তা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছের ছয়টি গ্রন্থকে বুঝানো হয়। সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ, সুনানে ইবনে মাজাহ। (বুখারী ও মুসলিমের সবগুলো এবং অন্য কিতাবগুলোর অধিকাংশ হাদীছ বিশুদ্ধ, তাই এগুলোকে একসাথে সিহাহ সিত্তা বা ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ বলা হয়)
8. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৭০০৮টি। মতান্তরেঃ ৭৫৬৩টি।
9. প্রশ্নঃ সহীহ মুসলিমে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩০৩৩টি।
10. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৩৯৫৬টি।
11. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫২৭৪টি।
12. প্রশ্নঃ সুনানে নাসাঈতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৫৭৫৮টি।
13. প্রশ্নঃ সুনানে ইবনে মাজাহতে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ৪৩৪১টি।
14. প্রশ্নঃ হাদীছ গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোন কিতাবে সবচেয়ে বেশী হাদীছ সংকলিত হয়েছে? উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদে।
15. প্রশ্নঃ মুসনাদে আহমাদে কতটি হাদীছ রয়েছে?
উত্তরঃ ২৭৭৪৬টি।
16. প্রশ্নঃ ছয়টি প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থ ছাড়া আরো ৫টি হাদীছ গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুসনাদে আহমাদ, মুআত্ত্বা মালেক, দারাকুত্বনী, সুনানে দারেমী, সুনানে বায়হাক্বী।
17. প্রশ্নঃ রিয়াযুস্ সালেহীন কিতাবটির লিখক কে?
উত্তরঃ ইমাম নভবী।
18. প্রশ্নঃ জাল হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে কথাটি মানুষে তৈরী করেছে, অতঃপর তানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে জাল হাদীছ বলে।
19. প্রশ্নঃ আল্লাহর কুরআনের পর সর্বাধিক বিশুদ্ধতম গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী।
20. প্রশ্নঃ সহীহ বুখারীর একটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম কি?
উত্তরঃ হাফেয ইবনে হাজার আসকালানী (রহঃ) প্রণীত ফাতহুল বারী।
21. প্রশ্নঃ কোন দুটি হাদীছ গ্রন্থকে সহীহায়ন বলা হয়?
উত্তরঃ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম।
22. প্রশ্নঃ মুত্তাফাকুন আলাইহে বলতে কি বুঝানো হয়?
উত্তরঃ যে হাদীছটি ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নিজ নিজ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, সে হাদীছ সম্পর্কে বলা হয় মুত্তাফাকুন আলাইহে।
23. প্রশ্নঃ সুনানে তিরমিযীর একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ তুহফাতুল আহওয়াযী। লেখকঃ আবদুর্ রহমান মুবারকপুরী (রহঃ)।
24. প্রশ্নঃ সুনানে আবু দাউদের একটি প্রসিদ্ধ ভাষ্য (ব্যাখ্যা) গ্রন্থের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ আউনুল মাবূদ। লেখকঃ শামসূল হক আযীমাবাদী (রহঃ)।
25. প্রশ্নঃ মারফূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম)এর কথা, কাজ বা সমর্থন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তাকে মারফূ হাদীছ বলে।
26. প্রশ্নঃ মাওকূফ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন সাহাবীর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাওকূফ হাদীছ বলে।
27. প্রশ্নঃ মাকতূ হাদীছ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে হাদীছটি কোন তাবেঈর কথা, কাজ বা সমর্থন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে মাক্বতূ হাদীছ বলে।
28. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের কয়েকটি প্রকার উল্লেখ কর?
উত্তরঃ মুরসাল, মুনকাতে, মুযাল, মুনকার, মাক্বলূব, মুয্তারাব ইত্যাদি।
29. প্রশ্নঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করার হুকুম কি?
উত্তরঃ যঈফ হাদীছের উপর আমল করা উচিত নয়।
30. প্রশ্নঃ হাদীছের সনদ বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ হাদীছ বর্ণনার সময় বর্ণনাকারীদের সিলসিলা বা ধারাবাহিকভাবে তাদের নাম উল্লেখকে সনদ বলা হয়।
31. প্রশ্নঃ হাদীছের মতন কাকে বলা হয়?
উত্তরঃ হাদীছের মূল বক্তব্যটিকে মতন বলা হয়।
32. প্রশ্নঃ কোন খলীফার যুগে সর্বপ্রথম হাদীছ কিতাব আকারে লিপিবদ্ধ করা শুরু হয়?
উত্তরঃ খলীফা ওমর বিন আবদুল আযীযের (রহঃ) যুগে।
33. প্রশ্নঃ হাদীছের গ্রন্থ জগতে সর্বপ্রথম কোন কিতাবটি লিপিবদ্ধ করা হয়?
উত্তরঃ মুআত্ত্বা ইমাম মালেক। এতে ১৭০০টি হাদীছ লিপিবদ্ধ করা
++++++++++++++++++++++++++
 

Sunday, 23 August 2015

হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর

হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)
========================
পবিত্র কাবার দক্ষিণ কোণে, জমিন থেকে ১.১০ মিটার উচ্চতায় হাজরে আসওয়াদ স্থাপিত। হাজরে আসওয়াদ দীর্ঘে ২৫ সেন্টিমিটার ও প্রস্থে ১৭ সেন্টিমিটার। শুরুতে হাজরে আসওয়াদ একটুকরো ছিল, কারামিতা সম্প্রদায় ৩১৯ হিজরীতে পাথরটি উঠিয়ে নিজেদের অঞ্চলে নিয়ে যায়। সেসময় পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় পরিণত হয়। এ টুকরোগুলোর সবচেয়ে বড়োটি খেজুরের মতো। টুকরোগুলো বর্তমানে অন্য আরেকটি পাথরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে যার চার পাশে দেয়া হয়েছে রুপার বর্ডার। রুপার বর্ডারবিশিষ্ট পাথরটি চুম্বন নয় বরং তাতে স্থাপিত হাজরে আসওয়াদের টুকরোগুলো চুম্বন বা স্পর্শ করতে পারলেই কেবল হাজরে আসওয়াদ চুম্বন-স্পর্শ করা হয়েছে বলে ধরা হবে।
হাজরে আসওয়াদ জান্নাত থেকে নেমে-আসা একটি পাথর[1] যার রং শুরুতে—এক হাদিস অনুযায়ী—দুধের বা বরফের চেয়েও সাদা ছিল। পরে আদম-সন্তানের পাপ তাকে কালো করে দেয়।[2] হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করলে গুনাহ মাফ হয়।[3] হাজরে আসওয়াদের একটি জিহবা ও দুটি ঠোঁট রয়েছে, যে ব্যক্তি তাকে চুম্বন-স্পর্শ করল, তার পক্ষে সে কিয়ামতের দিন সাক্ষী দেবে।[4] তবে হাজরে আসওয়াদ কেবলই একটি পাথর যা কারও কল্যাণ বা অকল্যাণ কোনোটাই করতে পারে না।[5]
[1] - الحجر الأسود من الجنة (নাসায়ি : ৫/২২৬ , আলাবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন: সহিহু সুনানিন নাসায়ি : ২৭৪৮ ) [2] - نزل الحجر الأسود من الجنة وهو أشد بياضا من اللبن فسودته خطايا بني آدم (তিরমিযি : হজ্জ অধ্যায় (৮৭৭) وفي رواية أشد بياضا من الثلج (ইবনু খুজায়মা : ৪/২৮২) [3] - إن مسحهما يحطان الخطايا حطا (নাসায়ি :৫/২২১; আলাবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, নং ২৭৩২ ) [4] - إن لهذا الحجر لسانا وشفتين يشهد لمن استلمه يوم القيامة بحق(আহমদ: ১/২৬৬; আলবানি এ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। (দ্রঃ সহিহ ইবনে মাযাহ, নং ২৩৮১) [5] - ওমর (র) বলেছেন, إني أعلم أنك لا تضر ولا تنفع - আমি নিশ্চয়ই জানি তুমি কল্যাণ অকল্যান কোনোটাই করতে পার না। (বোখারি : ৩/৪৬২)

Thursday, 6 August 2015

(১৯)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


(১৯)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-০৭.০৮.২০১৫
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~




——–কুছাই(QUSAI) বিন কিলাব(KILAB) সম্পর্কে কোৱা হৈছেযে তেওঁ ষেতিয়া কেচুঁৱা  আছিল তেতিয়াই তেওঁৰ পিতৃৰ বিয়োগ ঘটে। তাৰ পিছত তেওঁৰ মাক বানু উযৰা গোত্রৰ ৰাবি-আহ বিন হাৰাম নামৰ এজন ব্যক্তিৰ লগত বিবাহহৈ যায়। এই ব্যক্তিজন আছিল শ্যাম ৰাজ্যৰ। গতিকে মাকৰ লগতে কুছাইও শ্যাম ৰাজ্য পাইগৈ। প্রাপ্তবয়ঃ হোৱাত  তেখেত(কুছাই) পুনৰ মক্কালৈ ঘূৰি আহে। সেই সময়ত মক্কাৰ অভিভাৱক আছিল খুযায়ী গোত্রৰ হুলাইল বিন হাবশিৰা খুযায়ী। কুছাইয়ে হুলাইলৰ কন্যা হোবাক বিয়া কৰায়। বিয়াৰ কেইদিন মানৰ পিছতেই হুলাইলৰ মৃত্যু ঘটে। হুলাইলৰ মৃত্যু পাছত মক্কা আৰু বায়তুল্লাহৰ অভিভাৱকত্বকলৈ খুযা-আহ আৰু কুৰেইছৰ মাজত যুদ্ধ হয়। তাৰ মাজতেই কুছাই উজ্বলি উঠে আৰু মক্কা আৰু বায়তুল্লাহৰ অভিভাৱকত্বৰ দায়িত্ব পায়।

——–উল্লেখিত যি তিনিটা বিশেষ মর্যদাসম্পন্ন পদপী আদনানৰ বানু মুজাৰ(MUDAR) গোত্রই পাইছিল তাৰে এটা আছিল হাজীসকলৰ আৰাফৰ পৰা মুযদালিফালৈ লৈ যোৱা আৰু ইয়াউমুন নাফাৰ অর্থাৎ ১৩ জিলহজত মীনাৰ পৰা ৰাওনা হোৱাৰ বাবে লিখিত আদেশ দিয়াৰ কাম। এই সন্মানৰ অধিকাৰি আছিল ইলিয়াছ বিন মুজাৰ বংশৰ বানী গাওছ বিন মুৰৰাহ যাক কোৱা হৈছিল “সূফা”।

——মক্কা আৰু বায়তুল্লাহৰ অভিভাৱকত্বকলৈ “সূফা” আৰু “কুছাই”ৰ মাজত মনোমালিন্য হয়। এই মনোমালিন্য সুযোগলৈ খুযা-আহ আৰু বানু বিকৰ গোত্রৰ মাজত ভীষণ যুদ্ধ লাগে। এই যুদ্ধত বহুলোকৰ মৃত্যু আৰু সা-সম্পত্তি নষ্ট হয়। জান মালৰ ক্ষয়-ক্ষতিৰ পৰিপ্রেক্ষিতত এক আপোচ সিদ্ধান্তত আহিবৰ বাবে  বানু বিকৰ গোত্রৰ “ইয়া’মাৰ বিন আওফ”ক মধ্যস্থতাকাৰী হিচাবে মনোনিত কৰা হয়।

—–শেষ সিদ্ধান্ত ও এখন চুক্তিৰ ফল স্বৰূপে মক্কাৰ ওপৰত “কুছাই”আৰু “কুৰেইছ” এই দুয়োটা গোত্রই কতৃত্ব লাভ কৰিলে। আনহাতেদি বায়তুল্লাহৰ দ্বীনী নেতাৰ মহা-সন্মানিয় পদটি লাভ কৰিলে “কুছাই”য়ে। ইয়াৰ ফলত “খানায়ে-কা’বা” পৰিদর্শনৰ উদ্দেশ্যে আৰবৰ বিভিন্ন প্রান্তৰ পৰা অহা লোকৰ লগত তেওঁৰ সম্পর্ক স্থাপন হয়। মক্কাৰ ওপৰত কুছাইৰ আধিপত্যাৰ এই ঐতিসাহিক ঘটনা ঘটে ৪৪০খৃষ্ট্রাব্দৰ মাজ ভাগত।

—–আগলৈ-ইন শ্বা আল্লাহ----

Thursday, 23 July 2015

(১৮)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


(১৮)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-24.07.2015

00000000000000000000000000000000000


(18)“হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”
—–হজৰত ইছমাইল(আঃ)ৰ যুগ আছিল যীশুখ্রীষ্ট্র্রৰ জন্মৰ অনুমানিক দুইহাজাৰ বছৰৰ পূর্বে। সেই হিচাবত মক্কাত জুৰহুম গোত্রৰ অস্তিত্ব আছিল দুইহাজাৰ এশ বছৰ আৰু ৰাজত্ব কৰিছিল  দুইহাজাৰ বছৰ পর্যন্ত।
—– উল্লেখ কৰি অহা হৈছেযে বানু খুযাআ গোত্রৰ মাৰুর্যযাহৰান আৰু আদনান গোত্রৰ বানু বিকৰ্ বিন আবদি মানাফ বিন কিনানাহ লগহৈ জুৰহুম গোত্রৰ লোকসকলক মক্কাৰ পৰা বিতাড়িত কৰাৰ পাছত বানু খুযাআহে একক ভাবে মক্কাৰ প্রশাসন পৰিচালন কৰিবলৈ ললেও তিনিটা বিশেষ মর্যদাসম্পন্ন পদপী আদনানৰ বানু মুজাৰ(MUDAR) গোত্রক পৰিচালনা কৰিবলৈ দিয়ে।
——মক্কাৰ ওপৰত বানু খুযাআহ গোত্রৰ কর্তত্ব প্রায় তিনিশ বছৰ থাকে। উক্ত সময়ৰ ভিতৰত আদনান গোত্রসমূহে  হিজায অঞ্চলৰ(Hejaz regionলৈ) অতিক্রম কৰি নাজদ্, ইৰাক, বাহৰাইন আদি অঞ্চল সমূহত সিঁচৰিতহৈ পৰে।
——সেই সময়ত মক্কাৰ আশেপাশে কেৱল কুৰেশবিলাকৰ কেইটামান শাখাহে অৱশিষ্ট আছিল। তেওঁলোকৰ ঘৰবাৰী বুলিবলৈ একো নাছিল। এক বিছিন্ন অৱস্থাত তেওঁলোক বিভিন্ন পাহাৰত বাস কৰিছিল। আদনান গোত্রৰেই বানু কিনানা(KINANA) গোত্র কিছু সংখ্যকলোকৰ অত-তত কিছু ঘৰবাৰী আছিল যদিও মক্কাৰ প্রশাসনৰ ওপৰত কোনো কতৃত্ব নাছিল। এনেহেন অৱস্থাতেই কুছাই(QUSAI) বিন কিলাব(KILAB) গোত্রৰ আত্মপ্রকাশ ঘটে।
আগলৈ—আগলৈ

Friday, 17 July 2015

(১৭)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”

(১৭)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-18.07.2015 [EID UL FTRE]

00000000000000000000000000000000000

Assalamu Alaikum all, 
আমাৰ ফালৰ পৰা ঈদৰ আন্তৰিক শুভেচ্ছা  থাকিল।
تقبل الله منا ومنكم
Taqabbalallahu minna wa minkum


May Allah grant our and your good deeds.

18.07.2015 [EID UL FTRE]

--------------------------------------------------------



---হজৰত ইয়াৰমিয়াহে(আঃ)আদনানৰ সন্তান মা’আদক(Ma’ad) লগতলৈ শ্যাম দেশলৈ গুছি যয়। যেতিয়া মক্কাত পুনৰ আদনানসকল শক্তিশলী হয় তেতিয়া পুনৰ মা’আদ মক্কালৈ ঘূৰি আহে।  মক্কালৈ প্রত্যাবআর্তনৰ সময় তেওঁ জুৰহুম গোত্রৰ জুৰহুম বিন জালহামাহক লগ পাই তেওঁৰ কন্যা মাআনাহক বিয়া কায়। মাআনাহৰ গর্ভত জন্ম হয় নিযাৰ(Nizar)।

——ক্রমান্বয়ে জুৰহুম গোত্রৰ লোকসকলৰ অৱস্থা বেছি বেয়াৰ ফালে যাবলৈ ধৰে। ফলত তেওঁলোকে চুৰ, ডকাইতি, অন্যায় উৎপীড়ন কৰিলৈ ধৰিলে। আনকি তেওঁলোকে কা’বা গৃহৰ টকা, পইছা লুট কৰিবলৈ ধৰিলে। এটা সময়ত তেওঁলোকৰ উৎপাতত অতিষ্ঠহৈ বানু খুযাআ গোত্রৰ মাৰুর্যযাহৰান আৰু আদনান গোত্রৰ বানু বিকৰ্ বিন আবদি মানাফ বিন কিনানাহ লগহৈ জুৰহুম গোত্রৰ লোকসকলক মক্কাৰ পৰা বিতাড়িত কৰে। এই ঘটনা ঘটে ২য় খ্রীষ্টাব্দৰ মাজ ভাগত।

—– বানু জুৰহুম গোত্রৰ লোকসকল মক্কা এৰি যোৱৰ সময়ত জমজম কোঁৱাটো নানা ধৰণৰ বয়-বস্তুৰে পুতিথৈ যায়। এই বয়-বস্তবোৰৰ মাজত কিছুমান ঐতিহাসিক নিদর্শন যুক্ত বস্ত আছিল। মহম্মদ বিন ইসহাকৰ এক বিৱৰণ মতে “আমৰ” বিন হাৰিছ বিন মুজায জুৰহুমীয়ে কা’বা শ্বৰীফৰ দুটা হৰিণা আৰু হাজৰে আছঅদ বা কলা পাথৰটোও বাহিৰ কৰি জমজম কোঁৱাত নিক্ষেপ কৰিথৈ যায়। যোৱাৰ সময়ত তেওঁলোকৰ দুখৰ অন্ত নাছিল। দুখতেই “আমৰে” তলৰ কবিতাটো আবৃত্তি কৰেঃ-

“ধাৰণা হৈছেযে হাজুনৰ পৰা সাফা পর্যন্ত কোনো পৰিচিত লোক নাছিল,

নাই কোনো গল্পৰ বৈঠকত গল্প উপস্থাপকে গল্পই নকৰিলে।

কিয়বা নাই? আমিটো তাৰেই বাসিন্দা আছিলো।

কিন্তু যুগৰ পৰিবর্তনে

আৰু ভাগ্যৰ পৰহাসে আমাক উজাৰ কৰি দিলে”।।

-ক্রমশঃ-in sha Allah--next week--

Saturday, 11 July 2015

(১৬)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”

(১৬)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-12.07.2015

00000000000000000000000000000000000



—ইফালে হীৰাক(ইৰাক) আৰু তাৰ পাশ্ববর্তী অঞ্চলত কুৰোছ কাবীৰৰ(৫৫৭-৫২৯খ্রীষ্টপূর্ব) সময়ৰ পৰাই পাৰস্যসকলে শাসন কৰি আহিছিল। তেওঁলোক আছিল শক্তিশালী অপ্রতিদ্বন্দিক। কিন্তু ৩২৬ খ্রীষ্টপূর্বত সিকান্দাৰ মাকদুনীয়ে পাৰস্যৰাজ দাৰাক পৰাজিত কৰি পাৰস্য শক্তিক বিপর্যস্ত কৰি তুলে। এই বিশৃঙ্খল অৱস্থা ২৩০ খ্রীষ্টাব্দলৈ অব্যাহত থাকে।

—–হিজায অঞ্চলৰ নেতৃত্ব(Hejaz region):-
এইটো সর্বজনবিদিত যে হজৰত ইছমাইল(আঃ) মক্কাত থকাৰ পৰাই মক্কাত জনবসতিৰ সূত্রপাত হয়। তেখেতে(আঃ) গোটেই জীৱন মক্কাবাসীৰ চর্দাৰ ও বায়তুল্লাহ শ্বৰীফৰ অভিভাৱক হিচাবে দায়িত্ব পালন কৰিছিল। তেখেত(আঃ) ১৩৭ বছৰ জীয়াই আছিল।

——–হজৰত ইছমাইল(আঃ) ওফাতৰ(মৃত্যু) পিছত তেওঁৰ দুই সন্তান ক্রমে নাবিত আৰু কায়দাৰে পর্যায়ক্রমে মক্কা শ্বৰীফৰ অভিভাৱকৰ দায়িত্ব পালন কৰে। তাৰ পিছত ৰাজ্যৰ শাসন ভাৰ তেওঁলোকৰ নানায়েক মুৱায বিন জুৰহুমীৰ হাতলৈ যোৱাৰ লগে লগে নাবিত আৰু কায়দাৰ হজৰত ইছমাইল(আঃ)ৰ সন্তান হোৱা বাবেই এক মর্যাদাৰ আসনত থাকে যদিও ক্ষমতা অথবা নেতৃত্ব একো নেথাকিল। এই ভাবেই হজৰত ইছমাইল(আঃ)ৰ সন্তানসকল অখ্যাত হৈয়ে থাকিল।

—– বছৰ বাগৰৰ লগেলগে এটা সময়ত বানু জুৰহুম গোত্রৰশক্তি দুর্বলহৈ পৰে আৰু মক্কাৰ আকাশত আদনানসকলৰ ৰাজনৈতিক ক্ষমতা দ্রুত উত্থান ঘটে। ইয়াৰ আগতে খ্রীষ্ট্রপূর্ব ৫৮৭চনত আদনানসকল যুদ্ধত হাৰি মক্কাৰ পৰা ইয়ামেনলৈ পলায়ন কৰিছিল। সেই সময়ত বানীইছৰাঈল সকলৰ নবী আছিল হজৰত ইয়াৰমিয়াহ(আঃ)[ Yarmiah(Jeremiah )] ।
Photo -Hijaz_Mountains
–আগলৈ->next week-in sha Allah

Wednesday, 24 June 2015

(14)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”

(14)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-25.06.2015
-------------------------------------------------------------

——প্রাচীনতম অনুমানিক খৃষ্টপূর্ব ২৫০০বছৰৰ(2500 BC) আৰবৰ অন্তর্ভূক্ত থকা সম্প্রদায়টো হৈছে ইয়েমেন। এওঁলোক আকৌ “শাবা”(SABA) সম্প্রদায়ৰ অন্তর্ভূক্ত। এওঁলোকৰ অভ্যুদয় হয় খৃষ্টপূর্ব ১১০০(1100 BC) আৰু সোণালী যুগৰ সূচনা হয় খৃষ্টপূর্ব ৬৫০ৰ পৰা খৃষ্টপূর্ব ১১৫লৈ। এই কাল চোৱাতেই ইয়েমেন ইতিহাস প্রসিদ্ধ নদী বান্ধ “মাৰিবৰ মশহুৰ” স্থাপন হয়। পৱিত্র কোৰআন শ্বৰীফত “শাবা”(SABA) নামেৰে এটা চুৰা নাযিল হৈছে। ইয়াৰ তফচিৰত(৩৪:২১) এওঁলোকৰ বুৰঞ্জী (ক্লিক কৰকঃ-http://wp.me/p53xn9-D) আৰু নদী বান্ধটোৰ কথা (৩৪:১৬)নং আয়াতত “ছাইলাল আ’ৰিম”( سَيْلَ الْعَرِمِ ) নামেৰে উল্লেখিত হৈছে।
——–৩০০ খ্রীষ্টাব্দৰ পিছৰপৰা ইছলাম আবির্ভাৱ হোৱালৈ ইয়েমেনৰ মাজত অস্থিৰতা আৰু বিশৃংখলতা ঘটে। ফলশ্রুতিত ইয়েমেনৰ স্বাধীনতাৰ বিলুপ্তি ঘটে আৰু ৰুমী সকলে তাত আধিপত্য প্রতিষ্ঠা কৰে।
——-৩৭৮ খ্রীষ্টাব্দৰ পিছত ইয়েমেন পুনৰ স্বাধীন হয়। কিন্তু ৪৫০/৪৫১ খ্রীষ্টাব্দত “মাৰিবৰ মশহুৰ” নদী বান্ধটো ভাঙি যোৱাৰ ফলত বহু গাওঁ ধ্বংসহৈ যায়।
——৫২৩ খ্রীষ্টাব্দত পুনৰ এক জঘন্য ঘটনা ঘটে। ইয়েমেনৰ ইহুদি সম্রাট “যু-নওয়াছে” ইহুদিলৈ ধর্মান্তৰ হোৱাৰ বাবে খ্রীষ্টানসকলক প্রৱল হেঁঁচা প্রয়োগ কৰিবলৈ ধৰে। খ্রীষ্টানসকলক কোনোমতেই মান্তি নোহোৱাত “যু-নওয়াছে” কিছুমান গাঁত খন্দাই তাত জুই জ্বলাই খ্রীষ্টানসকলক পেলাই জ্বলাই মাৰে। পৱিত্র কোৰআন শ্বৰীফৰ চুৰা বুৰুজৰ চাৰি নং আয়াতত “কোতিলা আসহাবুল উখূদ”( قُتِلَ أَصْحَابُ الْأُخْدُود) এই ঘটনাৰ ইঙ্গিত দিয়া হৈছে।

The long-abandoned Great Dam of Ma’rib, once a wonder of the world.
-contd.to-Next week-in sha Allah---

Friday, 12 June 2015

(১2)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”



(১2)-"হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com-sgis-12.06.2015
----------------------------------------------------------

—–আদনান হৈছে নবী কৰিম(দঃ)ৰ বংশ তালিকাত ২১তম ঊর্ধতম বংশ বা পুৰুষ। ঐতিহাসিক গবেষকসকলৰ সূক্ষ্ম অনুসন্ধান অনুযায়ী আদনান আৰু হজৰত ইব্রাহীমৰ(আঃ)ৰ মধ্যৱর্তী সময়চোৱাক চল্লিছ পিড়িঁ বা বংশৰ ব্যৱধান বুলি ঠাৱৰ কৰিছে।


—-ইয়াতে ক্লিক কৰি (http://wp.me/p53xn9-c , ফটোৰ ওপৰটো ক্লিক কৰি ডাঙৰ কৰি ল’ব)পোৱা বংশ তালিকাত চকু ফুৰালে দেখা যায়যেঃ-আদনান বংশৰ সন্তান মা’আদ(Ma’ad)। এওঁৰেই একমাত্র সন্তান নাযাৰ(Nizar)। নাযাৰৰ চাৰিটা সন্তানৰ পৰা প্রত্যেকৰ পৰা একোটাকৈ গোত্র বা বংশৰ সৃষ্টি হৈছে। এই চাৰি সন্তানৰ নাম যথাক্রমেঃ- ইয়াদ, আনমাৰ, ৰাবীআহ(—), আৰু মুদাৰ(Mudar)। ইয়াৰে ৰাবীআহ আৰু মুদাৰ(Mudar)ৰ শাখা-প্রশাখাৰ বিস্তিৃত লাভ কৰে। মুদাৰ(Mudar)ৰ সন্তান সকলৰ পৰা দুটা ডাঙৰ গোত্রৰ বিভক্ত উৎপত্তি হয়ঃ-১)কাইছ আইলান বিন মুদাৰ আৰু ২)ইলিয়াচ বিন মুদাৰ।

——ইলিয়াচ বিন মুদাৰ পৰা তামীম বিন মুৰৰাহ, হুজাইল বিন মুদৰিকাহ, বানু আছাদ বিন খুজাইমাহ আৰু কিনানা বিন খুজাইমাহ গোত্র সমূহৰ উদ্ভৱ হয়। তাৰ পিছত কিনানাহ গোত্রৰ পৰা কুৰেইছ(Quraish) গোত্র বা বংশৰ উৎপত্তি হয়। এই বংশটো ফিহৰ বিন মলিক বিন নাযাৰ বিন কিনানাৰ সতি-সন্তান।

—–পিছত কুৰেইছ বংশ বিভিন্ন শাখাত বিভক্তহৈ পৰে। ইয়াৰে এটা বিশিষ্ট শাখাৰ গোত্র হৈছে কুছাই(Qusai)। কুছাইৰ সন্তানসকলৰ পৰা একোএকোটা গোত্রৰ জন্ম হয়। ইয়াৰে এজন সন্তানহৈছে আবদে-মুনাফ(Abd-Munaf)। এখেতৰ চাৰি সন্তান ক্রমে:- আবদে-শামস, নওফাল, আব্দুল মুত্তালিব(Abdul Mutalib) আৰু বানু হাছিম(Hashim)। এই চাৰি গোত্রৰ উৎপত্তি হয়। ইয়াৰ পিছত হাছিম গোত্রৰ পৰা আব্দুল্লা আৰু তাৰ পিছত মহান আল্লাহ তা’লাই আমাৰ প্রাণৰোপ্রাণ প্রিয় নবী হজৰত মহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলেইহি ওৱা ছাল্লামক নবী ও ৰছুল ৰূপে মনোনীত কৰিলে।
-ক্রমশঃ-in sha Allah on-19.06.2015

Thursday, 28 May 2015

(১০)-হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”

(১০)-হজৰত মহম্মদ(দঃ)ৰ পূর্ণাঙ্গ জীৱনধাৰাৰ চমু লেখ”


By:- sogoodislam@gmail.com
----------------------------------------------------------

(Note:-sogoodislam@gmail.com:- আমাৰ উদ্দেশ্য হজৰত মহম্মদ(দঃ)লৈ লেখ(Graph )দাল টানিনিয়া। গতিকে হজৰত ইছমাইলৰ(আঃ) ঠালটো ৰাখি বাকীবোৰ আলোচনা নকৰো।
তথাপিওঁ পঢ়ুৱৈৰ কৌতুহল মনক বুজাবলৈ তলৰ লিঙ্কটো দিলো যাতে Isaac আৰু Jacobৰ বিষয়ে কিছু আভাষ পায়।=(ইয়াতে ক্লিক কৰক-http://en.wikipedia.org/wiki/Rebecca)
(According to the account in the Book of Genesis, Rebecca was the wife of Isaac and the sister of Laban, who would later become the father of Rachel and Leah, two of the wives of Rebecca’s son Jacob.)
+++++++++++

——–হজৰত ইব্রাহীম(আঃ)ৰ দুজন ল’ৰা হজৰত ইছমাইল(আঃ) আৰু হজৰত ইছহাক্ক(আঃ) [Prophet Ismail and Prophet Ishaq (peace be upon them)] হজৰত ইছহাক্ক(আঃ) দ্বিতীয় সন্তান।যেতিয়া হজৰত ইব্রাহীমে(আঃ) আল্লাহ তা’লাৰ আদেশত হজৰত ইছমাইল(আঃ)ক কোৰবানি কৰিবলৈ গৈছিল তেতিয়াই বিবি সাৰাই হজৰত ইছহাক্ক(আঃ)ক জন্ম দিয়ে।এখেতৰ(আঃ) বিষয়ে পৱিত্র কোৰআন শ্বৰীফত এনেদৰে আহিছেঃ-
“And We gave him the good news of Isaac-a prophet,- one of the righteous.” (Qur’an 37:112)
——–পৱিত্র কোৰআন শ্বৰীফত হজৰত ইছমাইল(আঃ)ৰ নাম বহুবাৰ আহিছে যদিও তেঁওৰ সতি-সন্ততিৰ বিষয়ে বিশেষ একো উল্লেখ নাই। কিন্তু তৌৰাহত(Torah) বাৰটা ল’ৰা আৰু এজনী ছোৱালীৰ কথা উল্লেখ আছে। (এই কথা “কালবু জাযী-ৰাতিল আৰব, পৃঃ২৩০”মিছৰ-উল্লেখ আছে)।হজৰত ইছমাইল(আঃ)ৰ এই বাৰটা ল’ৰাৰ নাম যথাক্রমেঃ- নাবিত বা নাবায়ুত, কায়দাৰ, আদবাঈল, মিবশাম, মিশমা, দাওমা, মিশা, হাদদ্, তাইমা, ইয়াতুৰ, নাফিস আৰু কাইদমান। এই বাৰটা সন্তানৰ পৰা বাৰটা বংশ বা গোত্রৰ উৎপত্তি হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধিৰ লগে লগে এওঁলোকে ইয়েমেন, মিছৰ, চিৰিয়া আদি দেশৰ লগত ব্যৱসায় বাণিজ্য কৰি আৰব উপদ্বীপৰ বাহিৰে ভিতৰে সিঁচৰিতহৈ পৰে।নাবিত আৰু কায়দাৰৰ বংশৰ বাহিৰে বাকী সকলোৰে নাম-নিচান নাইকিয়াহৈ যায়। এটা সময়ত এওঁলোকে অর্থাৎ নাবিত আৰু কায়দানে নিজকে এটা শক্তিশালী জাতি হিচাবে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত কৰে। এওঁলোকৰ ৰাজধানী আছিস “বাতৰা”।



——- হাজাৰ বছৰীয়া বুৰঞ্জী অথবা গবেষণা মূলক গ্রন্থত এই বংশবোৰ এক ধূসৰ ছবিহে পোৱা যায়। ছৈয়দ চুলেইমান নভদীৰ(ৰঃ)(Shaykh Syed Sulaiman Nadvi (r.a)দ্বাৰা গভীৰ অনুসন্ধান আৰু গবেষণামূলক গ্রন্থ আৰু সহীহ মুছলিম লগতে সহীহ তিৰমিজ শ্বৰীফৰ হাদিচেৰে আমি আগুৱাই যাম।
 In sha ALLAH(SWT)) -sgis.29.05.2015—
আগলৈ(05/06/2015তাৰিখে)->
Photo of Tomb of Prophet Ishaq(as)

Monday, 25 May 2015

(6)-বিশ্ব নবীৰ(দঃ)স-শৰীৰে মে’ৰাজ ভ্রমণ-

(6)-বিশ্ব নবীৰ(দঃ)স-শৰীৰে মে’ৰাজ ভ্রমণ-
-পৰকালৰ চাক্ষুষ ঘটনা-
              “বৈজ্ঞানিকভাৱে প্রমাণিত বিশ্ব নবীৰ(দঃ) স-শৰীৰে মে’ৰাজ ভ্রমণ”
By:- sogoodislamsyeds-(sgis-07.06.2015)
+++++++++++++++++++++++

Click On Picture to Enalarge

[The fifth point in Muslim creed is to believe in life after death; to believe in the Day of Resurrection. It is in fact, the basis upon which Islam builds its whole philosophy of Life. A person cannot be a Muslim until after he/she accepts this principle. The advent of resurrection or Qiyamah is more frequently mentioned in the Noble Quran than any other happening. On the day of Qiyamah, all human beings will be resurrected and will have to pass through God’s judgment on their actions during this ephemeral life on earth. All this is vividly described in the Noble Quran. The word, Qiyamah, occurs 68 times in the Quran, and the word Hereafter occurs 118 times in Yusuf Ali’s translation of the Quran. The Quran argues that resurrection is rationally possible.(Allah-swt says in Holy Quran about resurrection or Qiyamah –click- http://quran.com/22/5 )]

আমি সকলোৱে জানোযে মানুহৰ মৃত্যুৰ লগে লগেই আল্লাহ তা’লাই মানুহজন/জনীৰ পৃথিবীত জীয়াই থকা অৱস্থাত পাপ-পূণ্যৰ ভিত্তিত আগতিয়াকৈ(Preliminary) শাস্তি অথবা আৰাম আৰম্ভ কৰি দিয়ে। অর্থাত মৃত্যুৰ লগে লগেই কেয়ামৎ আৰম্ভহৈ যায় । পাপী সকলৰ  এই শাস্তি হয় যেতিয়ালৈকে চুড়ান্ত কেয়ামৎৰ বাবে শিঙাত ফুঁক দিয়া নহয়। কিন্তু এই সকলো কাম বহুতে ভবাৰ দৰে কেৱল কবৰতে নহয় ; হয় সাত আচমানৰ(seven hevens) বিভিন্ন স্তৰত । যাক কোৱা হয় আলেমে-বৰযষ(log-on.pl-http://wp.me/p3RkLZ-E)। পাপী বিলাকৰ শাস্তি প্রথম আচমানৰ তলৰ বৰযষৰ পৰাই আৰম্ভ হয়।  ভাল ৰুহবোৰে আচমানৰ ওপৰৰ বিভিন্ন স্তৰৰ বৰযষত  স্থান পায়। 
-হজৰত মহম্মদৰ(দঃ) বোৰাকৰ দ্বাৰা  জেৰুজালেমৰ বাইতুল মোক্কাদ্বিছলৈ ভ্রমণ কৰোতে আল্লাহ তা’লাই আলমে-বৰযষৰ কিছুমান নমুনা হজৰত মহম্মদক(দঃ) দেখুৱাইছিল। তেখেতে(দঃ) এৰি অহা পৃথিবীখনক সোণ-ৰূপেৰে অলংকৃত এজনী বুঢ়ি মানুহৰ ৰে দেখিছিল। 
-হজৰত মহম্মদে(দঃ) এই ভ্রমণৰ সময়ত এটা খুব সুগন্ধি গোন্ধ পাই জিব্রিলক(আঃ) সুধিছিল এনে ধুনিয়া গোন্ধ  ক’ৰ পৰা আহিছে। জিব্রিলে(আঃ) কৈছিলযে সেয়া ফা'ৰাওৰ জীয়েকৰ মূৰৰ চুলী ফণীয়াই দিয়া ধার্মিক মহিলা গৰাকিৰ কবৰৰ গোন্ধ , যাক ফা'ৰাওৱে হত্যা কৰিছিল, ফৰাও আৰু সকলোৰে প্রভু আল্লাহ বুলি কোৱাৰ কাৰণে।[click here for this story with hadith dalil:-http://islamqa.info/en/39678]


contd.on next week in sha Allah...sgis


Sunday, 17 May 2015

শেষ খণ্ড-সমাপ্ত [১০]-চুফিজিমত বাদ্যযন্ত্র বনাম অসমীয়া জিকিৰত টোকাৰী-

শেষ খণ্ড-সমাপ্ত 
[১০]“এক বৌদ্ধিক চিন্তা”

-চুফিজিমত বাদ্যযন্ত্র বনাম অসমীয়া জিকিৰত টোকাৰী-
………………………………………………………
“One of intellectual thought” [A colanguage Article]
-USE OF MUSICAL INSTRUMENT IN SUFISM vs TOKARI IN ASSAMESE JIKIR-
by:-sogoodislamsyeds-sgis
++++++++++++++++++++++



--সমগ্ৰ ভাৰতীয় উপমহাদেশতেই যেতিয়া ব্ৰাহ্ম্যণ্যবাদে বিয়পাই দিয়া জাত-পাতৰ বিভেদত জনসমাজ আছন্ন আৰু বৌদ্ধ ধৰ্মৰ বিভিন্ন মাৰ্গত বিচ্যুত জনজাতীয় সমাজ, সেইসময়তেই নৱ-বৈষ্ণৱ ধৰ্মৰ এছাটি মধুৰ বতাহে উত্তৰ ভাৰত-গৌৰ আৰু অসমৰ ওপৰেদি বৈ জন-সমাজক আকৃষ্ট কৰিবলৈ সক্ষম হয়। বংগৰ চৈতন্য দেৱৰ নৱ-বৈষ্ণৱ পন্থাত আকৃষ্ট অসমৰ বাৰভূঞা বংশৰ শ্ৰীমন্ত শংকৰদেৱে অসমতো ভাগৱতী বৈষ্ণৱ ধৰ্মৰ পাতনি মেলে। ব্ৰাহ্ম্যণ্যবাদে বৰ বিশেষ প্ৰভাৱিত কৰিব নোৱাৰা অসমৰ জন-সমাজত শ্ৰীমন্ত শংকৰদেৱে নিজৰ প্ৰতিভাৰ বলতেই জাতি-ধৰ্ম নিৰ্বিশেষে অসমৰ মানুহক আকৰ্ষিত কৰাই নহয় শিল্প-সাহিত্যৰ নৱ চেতনাৰে অসমত এক নৱজাগৰণৰো সূচনা কৰে। ভাগৱতী ধৰ্মৰ উদাৰতা আৰু মানৱতাবোধে অসমৰ জাতীয় সমাজখনত এক নতুন চেতনাৰ জন্ম দিবলৈ সক্ষম হয়।
ভাগৱতী বৈষ্ণৱ ধৰ্মৰ সাংস্কৃতিক প্ৰভাৱ অসমৰ বিশুদ্ধ ব্ৰাহ্ম্যণ্যপন্থী সকলৰ ধৰ্মীয় বিশ্বাস আৰু লোকাচাৰ সমূহৰ মাজতো একাত্ম হৈ এক অসমীয়া সংস্কৃতিক জন্ম দিবলৈ সক্ষম হয়।

--আজান পীৰ(ৰঃ) চাহাবৰ আদৰ্শ আৰু বৈষ্ণৱ আদৰ্শৰ মাজত নিকট সম্পৰ্ক বুলি ভবা হয়। একেই ভক্তি ৰস। ভক্তিবাদ আছিল ব্ৰাহ্ম্যণ্যবাদী আধিপত্য বাদৰ বিৰুদ্ধে প্ৰত্যাহ্বান। সেয়ে আজান চাহাবৰ জিকিৰ আৰু জাৰি গীতত দেখা যায় সেই একেই সুৰ—-মোৰ মনত হীন-পৰ নাই ও আল্লা, হিন্দু কি মুছলমান একে আল্লাৰ ফৰমান, যিদৰে গুৰু শংকৰৰ ভাষাত কুক্কুৰ শৃগাল গদৰ্ভৰো আত্মাৰাম,জানিয়া সবাকো পৰি কৰিবা প্ৰণাম। আজিও শংকৰ-মাধৱ গুৰুৰ বাৰকুৰি বৰগীতৰ লগতে আজান চাহাবে ৰচনা কৰা আঠ কুৰি জিকিৰ অসমীয়া ভাষাৰ অমূল্য সম্পদ। হয়। গুৰুজনাই দি যোৱা কীৰ্তন ঘৰ-নামঘৰ আনকি মণিকূটৰ স্থাপন শৈলীতো ইছলামীয় শিল্প শৈলীৰ প্ৰভাৱ উল্লেখ্য। আমনি কীৰ্তন ঘৰত গায়ন-বায়নসকলৰ এক বৃহৎ সংখ্যক ইছলামধৰ্মী লোকেই আছিল।

--আজান পীৰ চাহেবৰ বিষয়ে বুৰঞ্জীত বৰ বেছি পোৱা নাযায়। সম্ভৱতঃ ১৬৮৬ চন মানত আজান চাহাবে(ছাহ মীলান)এজন গোড়া মুছলমানৰ আদৰ্শৰে সুদূৰ বাগদাদৰ পৰা আহে। ভাৰতলৈ আহিয়েই তেওঁ চুফীবাদ আৰু ভক্তিবাদৰ সান্নিধ্যত আহে আৰু তেওঁৰ আগৰ ধাৰণা সলনি হয়। অসমলৈ আহি তেওঁৰ সেই ধাৰণা একেবাৰেই নাইকিয়া হয় আৰু গুৰু শংকৰে স্থাপন কৰা ভক্তিৰস প্ৰধান উদাৰ অসমৰ সমাজত তেওঁ বাণী প্ৰচাৰ কৰিবলৈ লয়। নিজে এজন মুছলমান হৈও গৌড়ৰ চোৰাংচোৱা বুলি সন্দেহ কৰি ৰূপাই দা ধৰাই আজান পীৰৰ চকু কাঢ়ে। অজানিতে এক অক্ষমণীয় অপৰাধ কৰি পেলালেও এজন অসমীয়া মুছলমানৰ স্বদেশ প্ৰেমৰ স্বাক্ষৰ ৰাখি গৈছে ৰূপাই দাধৰাই। কিন্তু পিছলৈ ভুল বুজিব পাৰি অনুশোচিত হৈ ৰূপাই আত্মঘাটি হয় আৰু স্বৰ্গদেৱে আজান পীৰক শৰাগুৰী চাপৰিত ভূ-দান দি তাতে সন্মান সহকাৰে স্থাপন কৰে।
    

-- শংকৰ-আজানৰ অসমত এতিয়া সাম্প্ৰদায়িক মেৰু বিভাজনৰ প্ৰচেষ্টা চলিছে। কিন্তু এই মেৰুকৰণ এতিয়াও সফল হব পৰা নাই একমাত্ৰ এই গুৰু দুজনাৰ অমৰ আদৰ্শৰ বাবে। যি আদৰ্শ অসমীয়া জাতিৰ হৃদয়ত লুইতৰ সোতৰ দৰে অহৰহ অবিৰাম গতিত বৈ থাকে। অসমৰ ইতিহাস শংকৰ-আজান- লাচিতৰ ইতিহাস, বাঘ হাজৰিকাৰ ইতিহাস। আজান পীৰৰ চকু কঢ়া বাবে ৰূপাই দাধৰাক সাহিত্যিক সকলে এজন মুছলমান মৌলবাদী হিচাপে অংকন কৰাৰ প্ৰচেষ্টা দেখা যায় যদিও সেই সময়ৰ অন্য সাক্ষ্য সমূহে তেওঁযে এজন প্ৰকৃত নিষ্ঠাবান দেশপ্ৰেমিক অসমীয়া সেনা বিষয়া আছিল সেয়া প্ৰমাণ কৰে। 

[References:-
1)ৰাজকুমাৰ সৰ্বানন্দ, ইতিহাসে সোঁৱৰা ছশটা বছৰ পূৰ্বোক্ত গ্ৰন্থ
2)চৌধুৰী মেদিনী,লুইত বৰাক আৰু ইছলাম
3)নেওগ মহেশ্বৰ,অসমীয়া সাহিত্যৰ ৰূপৰেখা
4)অসমৰ ধৰ্মীয় বৈচিত্ৰ্য, সহিষ্ণুতা আৰু সমন্বয়-ৰক্তিম শৰ্মা]
Link our site-http://wp.me/p2pDMO-1f-sgis


------------সমাপ্ত[১৭।০৫।২০১৫]sogoodislamsyeds-sgis-----------